‘নিজে বাঁচো এবং বাঁচতে দাও ’ সাইফ আলি খানের বোন সাবা পতৌদি 

‘নিজে বাঁচো এবং বাঁচতে দাও ’ সাইফ আলি খানের বোন সাবা পতৌদি 

Aug 22, 2026 - 18:26
Sep 4, 2026 - 02:53
 0  6
‘নিজে বাঁচো এবং বাঁচতে দাও ’ সাইফ আলি খানের বোন সাবা পতৌদি 

সম্প্রতি কারিনা কাপুর জিমে যাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অভিনেত্রীর পুনরায় অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর নিয়ে নতুন করে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্য ব্যবহারকারীদের একাংশ দাবি করতে থাকেন—ভিডিওতে কারিনার ‘বেবি বাম্প’ দেখা যাচ্ছে এবং তিনি তৃতীয় সন্তানের মা হতে চলেছেন। তবে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেননি কারিনা কাপুর। 

তবে সাইফ আলি খানের বোন সাবা পতৌদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই খবরের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। 

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভিডিওটি শেয়ার করে তিনি লেখেন, মানুষ শুধুমাত্র পোশাক বা চেহারার ওপর ভিত্তি করে তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্তে পৌঁছাচ্ছে। ক্যামেরা অ্যাঙ্গেলের সমস্যার কারণেই তাকে এমন লাগতে পারে উল্লেখ করে সাবা জানান, সাম্প্রতিক অন্যান্য অনুষ্ঠানে কারিনাকে যথেষ্ট ফিট এবং সুন্দর দেখিয়েছে।    

একই সঙ্গে কিছুটা রসিকতা করে সাবা বলেন, তিনি বেশ কিছু দিন ধরে তার আরেক বোন সোহা আলি খানকে দ্বিতীয় সন্তান নেওয়ার জন্য বোঝানোর চেষ্টা করছেন। এই গুঞ্জনটি যদি সোহার বিষয়ে হতো, তবে তিনি বেশি খুশি হতেন। 

অনলাইনে অনাকাঙ্ক্ষিত জল্পনা থামানোর আহ্বান জানিয়ে সাবা পতৌদি লেখেন, ‘নিজে বাঁচো এবং বাঁচতে দাও। সব বিষয়ে গুঞ্জন ছড়ানোর প্রয়োজন নেই, মানুষের ব্যক্তিগত বিষয়গুলোকে সম্মান জানানো উচিত।’ কেবল একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও দেখে কারও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোরও অনুরোধ জানান তিনি।

জানা গেছে, কারিনা কাপুরের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার এই খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব। অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘হিন্দুস্তান টাইমস’-কে নিশ্চিত করেছে যে, কারিনা অন্তঃসত্ত্বা নন। 

উল্লেখ্য, সাইফ আলি খান ও কারিনা কাপুর খান দম্পতির দুই পুত্র সন্তান রয়েছে—তৈমুর (জন্ম ২০১৬) এবং জাহাঙ্গীর বা জেহ (জন্ম ২০২১)। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।